
আমরা কারা
একটি অরাজনৈতিক সংগঠন, তরুণদের উদ্যোগে
পাঁচ বছরের পরিকল্পনা ও বাস্তব অভিজ্ঞতার পর ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ব্যাকডোর যাত্রা শুরু হয়।
- যাত্রা শুরু
- ডিসেম্বর ২০২৪
- কার্যক্রম ও কর্মসূচি
- ৫
- কমিটির পদ
- ১৩
ব্যাকডো একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। শোষণমুক্ত, বাসযোগ্য, ন্যায়ভিত্তিক ও সুশীল সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যয় থেকে এর জন্ম। আমাদের মূল লক্ষ্য — এমন একটি উন্নত ও সভ্য সমাজ, যেখানে ন্যায়ের ভিত্তিতে সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে।
এই যাত্রা শুরু হয়েছে তরুণদের শক্তি ও দৃঢ় প্রত্যয় থেকে, যাঁরা বিশ্বাস করেন একটি ন্যায়সঙ্গত, শান্তিপূর্ণ ও অগ্রসর সমাজ গড়ে তোলায় তাঁদের ভূমিকা আছে।
দীর্ঘ পাঁচ বছরের চিন্তা ও পরিকল্পনা, বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার পর ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আমরা আমাদের যাত্রা শুরু করি।
কেন এই সংগঠন
বর্তমান অর্থনৈতিক শোষণ, সামাজিক বৈষম্য এবং শিক্ষাক্ষেত্রে স্থবিরতা — এই তিনটি বাস্তবতা একটি শক্তিশালী সামাজিক আন্দোলনের প্রয়োজনীয়তা তৈরি করেছে।
প্রতিটি নাগরিকের ন্যায্য প্রাপ্য এবং সমান সুযোগ নিশ্চিত করা ছাড়া উন্নত, স্থিতিশীল ও সুখী জাতি গড়ে তোলা সম্ভব নয়।
এর জন্য প্রয়োজন একটি শক্তিশালী সংবিধান ও কার্যকর নীতিমালা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সমতার প্রতি শ্রদ্ধা।
শোষণমুক্ত, বাসযোগ্য, ন্যায়ভিত্তিক ও সুশীল সমাজ বিনির্মাণের প্রত্যয়ে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলে, আমাদের দেশ উন্নয়ন হবেই।
ভিশন
বাংলাদেশকে শোষণমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক, উন্নত ও আদর্শ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে প্রতিটি নাগরিক সমান অধিকার, ন্যায়বিচার ও সুযোগ-সুবিধা লাভ করবে।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
আমরা যা অর্জন করতে চাই
- ০১
ন্যায়, সত্য ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে একটি আদর্শ সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।
- ০২
সমাজে নৈতিকতা, সততা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং কার্যকর প্রকল্পের মাধ্যমে আর্থসামাজিক উন্নয়ন ঘটানো।
- ০৩
দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণসচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
- ০৪
দক্ষ, যোগ্য, নীতিবান ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব গড়ে তোলা।
- ০৫
শিক্ষা, মানবাধিকার, ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করা এবং জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা।
সময়রেখা
এখন পর্যন্ত যা হয়েছে
যাত্রা শুরু
পাঁচ বছরের পরিকল্পনার পর ব্যাকডোর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
সংবিধান প্রণয়ন
সংগঠনের লক্ষ্য, কাঠামো, সদস্যপদ ও আচরণবিধি নির্ধারণ করে পূর্ণাঙ্গ সংবিধান প্রকাশিত হয়।
কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সভা
সংগঠনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং কর্মপরিকল্পনা নির্ধারিত হয়।
বিশেষ সম্মেলন
সংগঠনের বিশেষ সম্মেলনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সাংগঠনিক কাঠামো
কেন্দ্রীয় কমিটির পদসমূহ
সংগঠনের সংবিধান অনুযায়ী কেন্দ্রীয় কমিটি নিচের পদগুলো নিয়ে গঠিত। এর অধীনে স্থানীয়, জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে পৃথক কমিটি কাজ করে।
- ০১
সভাপতি
সংগঠনের সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্মকর্তা; দিকনির্দেশনা ও নীতি নির্ধারণে নেতৃত্ব দেন।
- ০২
সহ-সভাপতি
সভাপতির অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করেন।
- ০৩
সাধারণ সম্পাদক
প্রশাসনিক কার্যক্রম, সভা আয়োজন ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের তদারকি।
- ০৪
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
দৈনন্দিন কার্যক্রমে সাধারণ সম্পাদককে সহযোগিতা।
- ০৫
কোষাধ্যক্ষ
আর্থিক বিষয় তদারকি, বাজেট ও ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
- ০৬
গবেষণা ও পরিকল্পনা সম্পাদক
কর্মপরিকল্পনা, নীতি গবেষণা ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম।
- ০৭
জনসংযোগ ও প্রচার সম্পাদক
কার্যক্রম প্রচার ও গণমাধ্যমে সংগঠনের উপস্থিতি।
- ০৮
সাংগঠনিক সম্পাদক
অভ্যন্তরীণ কাঠামো, নতুন সদস্য সংযুক্তি ও সমন্বয়।
- ০৯
আইন ও নীতিমালা সম্পাদক
সংবিধান, আইন ও নীতিমালা সংক্রান্ত কার্যক্রম ও আইনি সহায়তা।
- ১০
শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক
নৈতিক শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।
- ১১
তহবিল সংগ্রহ ও উন্নয়ন সম্পাদক
অনুদান সংগ্রহ, ফান্ডরেইজিং ও আর্থিক কৌশল।
- ১২
সমাজসেবা ও মানবাধিকার সম্পাদক
মানবাধিকার, দারিদ্র্য বিমোচন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম।
- ১৩
তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল যোগাযোগ সম্পাদক
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, ওয়েবসাইট ও প্রযুক্তিগত দিক।
স্থানীয় কমিটি
উপজেলা, থানা বা ইউনিয়ন পর্যায়ে তৃণমূলে কার্যক্রম বাস্তবায়ন।
জেলা কমিটি
জেলাভিত্তিক সমন্বয় ও স্থানীয় কমিটিগুলোকে দিকনির্দেশনা।
জাতীয় কমিটি
জাতীয় পর্যায়ে নীতিনির্ধারণ ও নিচের কমিটিগুলোর তদারকি।
নেতৃত্ব
কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি
কমিটির তালিকা শীঘ্রই প্রকাশিত হবে
নাম, পদবি ও দায়িত্বসহ কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির পূর্ণ তালিকা এখানে প্রকাশ করা হবে।
আমাদের সঙ্গে যুক্ত হন
সংগঠনের সদস্য হয়ে আপনি সরাসরি কার্যক্রমে অংশ নিতে পারেন।
